অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভাদাইল এলাকায় ময়লা সংগ্রহের ব্যবসা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে স্থানীয় বিএনপি নেতা ইদ্রিস আলীর নেতৃত্বে একটি সশস্ত্র দল ভুক্তভোগীর বসতবাড়ি ও ময়লা পরিবহনের গাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় ইদ্রিস আলীর ছেলে মেহেদীসহ রাসেল, মন্ডল ও শফিক সরাসরি অংশ নেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় এবং ব্যবসা পরিচালনায় বাধা সৃষ্টি করে। ভুক্তভোগীর দাবি, হামলাকারীরা তার কাছে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে এলাকায় ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়। এই ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী জানান, মূলত ময়লার ব্যবসা দখল এবং অনৈতিকভাবে চাঁদা আদায়ের উদ্দেশ্যেই এই পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে। ইতিপূর্বেও বিভিন্ন সময় তাকে এই পক্ষটি নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে আসছিল। জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে তিনি দ্রুত অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা ইদ্রিস আলীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন,জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের প্রকাশ্য হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। তারা এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে এবং সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিডি.কম/রাজু